পুলিশ জঙ্গি দমনে সফল হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Slider বাংলার সুখবর সারাদেশ

file (1)

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি দমনে পুলিশ যে দেশপ্রেম, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব দেখিয়েছে তা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা গুলশান, শোলাকিয়া ও কল্যাণপুরে জঙ্গি দমনে যে সক্ষমতা দেখিয়েছেন তা জনমনে আস্থা বাড়িয়েছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্ত রাখতে হবে। আপনারা জঙ্গি দমনে অবশ্যই সফল হবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ২০১৬ সালের ত্রৈ-মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। পুলিশের আইজি এ কে এম শহীদুল হক এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সভায় সব মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার, ঢাকার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। তাদের মোকাবিলা করার জন্য পুলিশের সক্ষমতা আরো বাড়াতে হবে। জনগণ আপনাদের পাশে রয়েছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা জঙ্গিবাদ রুখবো। এ দেশে জঙ্গিদের ঠাঁই হতে পারে না। তিনি বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার করার আহবান জানিয়ে বলেন, বন্ধুপ্রতীম বিভিন্ন দেশ আমাদের পাশে রয়েছে। তারা পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা করতে আগ্রহী।
পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেন, জঙ্গি দমনকে বাংলাদেশ পুলিশ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে আরো সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংকে কাজে লাগিয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। আইজিপি বলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ায় পুলিশ নিজের জীবনবাজি রেখে জঙ্গিদের দমন করছে। আমাদের মনোবল দৃঢ় রয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনসহ  জননিরাপত্তা বিধানে বদ্ধপরিকর। সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া তিন মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সভায় পুলিশ টেলিকম অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টের  অতিরিক্ত আইজিপি অমূল্য ভূষণ বড়ুয়া, এসবির অতিরিক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন্স) মো. মোখলেসুর রহমান, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. নজিবুর রহমান, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, এপিবিএন’র অতিরিক্ত আইজিপি সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ফাতেমা বেগম এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *