কে হবেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী

Slider সারাবিশ্ব

20940_Theresa

 

 

 

 

কনজার্ভেটিভ পার্টির প্রধান ও বৃটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু করছেন বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে। আজই তার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়ার কথা। ফলে এ দলের শক্তিশালী প্রার্থী ও সাবেক মেয়র বরিস জনসনের জন্য থেরেসা মে বড় রকমের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবেন। এরই মধ্যে দ্য টাইমসের জন্য জরিপ পরিচালনা করেছে ইউগভ। তাতে দেখা যাচ্ছে, দলের সদস্যরা দু’জনের মধ্যে বেছে নিয়েছেন থেরেসা মে’কে। তাকে সমর্থন দিয়েছেন শতকরা ৫৫ ভাগ সদস্য। বরিস জনসনকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৩৮ ভাগ সদস্য। এ জরিপ পরিচালনা করা হয় বুধবার দিবাগত রাতে। কনজার্ভেটিভ পার্টির সদস্যদের জরিপে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তারা এ দু’জনের মধ্যে কাকে বেছে নেবেন। তার জবাবে ওই সমর্থন মিলেছে। এক্ষেত্রে চারজন প্রার্থীর বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তারা হলেন থেরেসা মে, বরিস জনসন, আন্দ্রে লিডসাম, স্টিফেন ক্রাব।

এদের মধ্যে আপনার প্রথম পছন্দ কে? এ প্রশ্নের জবাবে থেরেসা মে পেয়েছেন শতকরা ৩৬ ভাগ সমর্থন। বরিস জনসন শতকরা ২৭ ভাগ, আন্দ্রে লিজসাম শতকরা ৭ ভাগ ও স্টিফেন ক্রাব শতকরা ৭ ভাগ সমর্থন পেয়েছেন। এরপর প্রশ্ন করা হয়, চ’ড়ান্ত পর্বে আপনি কাকে বেছে নেবে? এর জবাবে শতকরা ৫৫ জন সমর্থন দিয়েছেন থেরেসা মে’কে এবং শতকরা ৩৮ ভাগ সমর্থন পেয়েছেন বরিস জনসন। আজ দলীয় প্রধান ও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থিতা ঘোষণা দিয়ে থেরেসা মে কি বলবেন তা আগেভাগেই বৃটিশ মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি জনগণের মধ্যে যে রাজনীতির ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেবেন। নিজের দলকে ঐক্যবদ্ধ করার ঘোষণা দিবেন। অন্যদিকে থেরেসা মে তার প্রার্থিতা ঘোষণা দেয়ার দু’ঘন্টা পরে আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ডা ঘোষণা করবেন বরিস জনসন। তার এ প্রচারণার নাম দেয়া হয়েছে ‘ব্যাক বরিস ইন ২০১৬’।

তিনি সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেবেন। এখানে উল্লেখ্য, এ সপ্তাহে কনজার্ভেটিভ পার্টির ১০০১ জন সদস্যের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে সেখানেও বরিস জনসনের চেয়ে ১৫ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন থেরেসা মে। কনজার্ভেটিভ পার্টিকে কোন প্রাথী ঐক্যবদ্ধ করতে পারবেন? এ প্রশ্নের উত্তরে বরিস জনসনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেশি পেয়েছেন থেরেসা মে। কে বেশি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন? এ প্রশ্নের উত্তরে থেরেসা মে এগিয়ে আছেন ২৮ পয়েন্টে। উল্লেখ্য, থেরেসা মে ছিলেন বৃটেনকে ইউরোপের সঙ্গে রাখার পক্ষে। কিন্তু এখন তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি ইউরোপ থেকে বৃটেনকে বের করে আনবেন এবং অভিবাসীদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রিত করবেন। এ দু’জন ছাড়াও প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে আছেন সাবেক মন্ত্রী লিয়াম ফক্স, পেনশন বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ক্রাব। আপাতদৃষ্টে এ চারজনের মধ্য থেকে আগামী ৯ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের উত্তরসুরি নির্বাচিত হবেন। কনজার্ভেটিভ দলের নেতৃত্বে ১০ বছর আছেন ডেভিড ক্যামেরন। ২০১০ সালের মে থেকে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। ইউরোপ থেকে বৃটেনের বেরিয়ে আসা প্রশ্নে গণভোটে তিনি হেরে যাওয়ার পর পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *