গাজীপুর: টঙ্গীতে মাদক বস্তিতে অভিযানে গিয়ে মাদক কারবারিদের হামলায় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার পর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো: বেলায়েত হোসেন বলেছেন, কাউকে মাদক বিক্রি ও সেবন করতে দেয়া হবে না। যতদিন মাদক থাকবে ততদিন অভিযান চলবে। এক ইঞ্চি মাটিও পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকবে না। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হবে আর পুলিশ ধরতে পারবে না, এমন থানার ওসির দরকার নেই।
বৃহস্পতিবার(৩০ এপ্রিল) বিকেলে জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এসব কথা বলেন। এর আগে টঙ্গীর কেরানীর টেক মাদক বস্তিতে অভিযানে গিয়ে মাদক কারবারিদের আক্রমনে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার পর বুধবার মধ্যরাতে টঙ্গী পূর্ব থানায় এক প্রেস ব্রিফিং করেও তিনি এই হুসিয়ারী উচ্চারণ করেন।
বেলায়েত হোসেন বলেন, আমার এখতিয়াভুক্ত জায়গায় কোন মাদক থাকবে না। আমার কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছেন তাই মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান করছি। মাদক বিক্রি ও সেবনের ক্ষেত্রে যাকে পাওয়া যাবে, তাকেই গ্রেপ্তার করা হবে, কোন দলীয় বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
জানা যায়, বুধবার মধ্যরাতে গাজীপুরের টঙ্গীর কেরানীর টেক মাদক বস্তিতে অভিযান চালানোর সময় মাদক কারবারিদের হামলায় ৪ পুলিশসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশ বেশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা হয়েছে। মামলার বাদী জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ দক্ষিনের পুলিশ পরিদর্শক মো: রফিকুল ইসলাম। মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ৭ জন ও পলাতক একজন সহ ৮ জনকে শনাক্ত করে ও অজ্ঞাত নামা ১০/১২ জনকে আসামী করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শাহীন (৩৬), সোহেল (২৮), রায়হান (১৯), রওশন আরা (৩০), সুমি আক্তার (২৪), নূরজাহান (৫৩) ও বিউটি আক্তার (৫৬)। মানলায় পলাতক আসামি করা হয়েছেন রুনা আক্তার ওরফে রুনা বেগম (৩৮) ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান: বলেন, মামলা রুজু শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

