ক্যাপশন( আজ শনিবার বেলা পৌনে দুইটায় গাজীপুর- ইটাখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীগঞ্জের আজমতপুরে মেসার্স জারিফ ফুয়েল স্টেশন)
গাজীপুর: গণপরিবহনে তেল পেতে জটিলতা নিরসনে তেল চুরি ও মজুদ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যাপকভাবে কাজ শুরু করছে। প্রশাসনের কঠিন তদারকির মধ্যেও পাম্পে তেলের সংকট কাটছে না। তবে প্রশাসন বলছে ৮৬ টি পাম্পের মধ্যে ৭০ টি পাম্প খোলা রয়েছে। এই হিসেবে ৮১ ভাগ পাম্প খোলা থাকার কথা যার বাস্তবতা ভিন্ন।
আজ শনিবার( ২৮ মার্চ) টঙ্গী ও কালীগঞ্জ ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়।
সরেজমিন জানা যায়, অধিকাংশ তেলের পাম্প বন্ধ। কিছু কিছু পাম্পে বিচ্ছিন্নভাবে গণপরিবহন তেলের অপেক্ষায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কোন পাম্পে তেল দিচ্ছে সেই খবর সংগ্রহ এখন পরিবহন মালিকদের প্রধান কাজ। কোথাও কোথাও নেতাদের ফোনেও তেল পাওয়ার তথ্য আসছে।
কালীগঞ্জের আজমতপুরে মেসার্স জারিফ ফুয়েল স্টেশন সাথে চায়ের দোকানে বেশ কিছু মোটরসাইকেল তেলের অপেক্ষায় আছে। এক মোটরসাইকেলের মালিক মাসুম মিয়া জানান, তেল আসলে পাম্পে যাব।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, গাজীপুর জেলায় ৮৬ টি তেলের পাম্পের মধ্যে টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা এলাকায় ১৩ টি ও কালীগঞ্জে ৮ টি তেলের পাম্প রয়েছে। টঙ্গী ও কালিগঞ্জের মোট ২১ টি তেলের পাম্পের মধ্যে তিনটি পাম্পে হঠাৎ হঠাৎ তেল আসে। বাকী পাম্প গুলো তেল দিতে পারছে না।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, গতকাল রাতে বেশ কয়েকটি পাম্পে তেল দেয়ার খবরে বিভিন্ন পাম্পে উপচে পড়া ভীড় ছিল গণপরিবহনের। তেল না পেয়ে গাড়ির চালকেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জানতে চায়, কোন পাম্পে তেল দেয়া হয় একটু জানান।

ক্যাপশন( গতরাতে গাজীপুর- ইটাখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের মায়া ফিলিং স্টেশন)
প্রশাসন ও মাঠের পরিস্থিতি বলছে, গাজীপুরে নিবন্ধিত ৮৬টি পাম্পের মধ্যে ৭০ টি পাম্প খোলা বলছে প্রশাসন। সে হিসেবে ৮১% পাম্প খোলা থাকার কথা যা বাস্তবে উল্টো চিত্র।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, অনিয়ম ধরতে পাম্পগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে।
গাজীপুর জেলা প্রশাসনের বাজার ও বানিজ্য শাখার দায়িত্বরত সহকারী কমিশনার ফারিয়া তাসনীম বলেন, আমাদের মোট ৮৬ টি তেলের পাম্প আছে। এর মধ্যে ৭০ টির মত খোলা আছে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, তেল চুরি ও মজুদ ঠেকাতে ১৫ টি ভ্রাম্যমান আদালত কাজ করছে। বিপিসি বলছে, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। এই বিষয়েই আমরা কাজ করছি।

