গাজীপুর: বাংলাদেশ জন্মের ৫৫ বছরে গাজীপুরের কালিগঞ্জে তেমন কোন বিনোদন কেন্দ্র তৈরী হয়নি। তাই প্রতি ঈদেই ঢাকা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর চরসিন্দুর সেতুতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় হয়। শীতলক্ষ্যার আদী সৌন্দর্য বিলিনের পথে হলেও এখনো শীতলক্ষ্যার মুচকি হাসি দেখতে দর্শনার্থীরা ভীড় করেন। আর দর্শনার্থীদের ভীড়ে গণপরিবহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।
জানা যায়, ঢাকা থেকে গাজীপুর সদর ও কালীগঞ্জ হয়ে কালীগঞ্জের আজমতপুর- ইটাখোলা সড়কটি মূলত ঢাকা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক। গাজীপুরের কালিগঞ্জ ও নরসিংদীর পলাশ থানাকে পৃথক করেছে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মিত চরসিন্দুর সেতু। এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য গণপরিবহন যাতায়াত করে। সেতুটি শীতলক্ষ্যা নদের মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের ট্রানজিট পয়েন্টে অবস্থিত হওয়ায় সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে শীতলক্ষ্যার উভয় তীর দর্শন করা যায়। এক সময়ের উত্তাল ও ভরা যৌবনের প্রাণচঞ্চল শীতলক্ষ্যার দুই তীর ভরাটে সৃষ্ট আঁকাবাকা নদীপথের আর্তচিৎকারও শোনা যায়। শীতলক্ষ্যার আদী সৌন্দর্য বিলিনের পথে হলেও এখনো শীতলক্ষ্যার মুচকি হাসি দেখতে দর্শনার্থীরা ভীড় করেন। কচুরিপানার সাথে শীতলক্ষ্যা নদীপ্রবাহের সংঘর্ষ দেখার মজাই আলাদা। শীতলক্ষ্যার চরসিন্দুর সেতুতে দাঁড়িয়ে গাজীপুরের কালীগঞ্জ ও নরসিংদীর পলাশের সৌন্দর্যও অবলোকন করা যায়। তাই গাজীপুর ও নরসিংদী থেকে প্রতি ঈদে কিংবা যে কোন লম্বা ছুটিই নয়, প্রতি শুক্র ও শনিবারও বিকেলে ভীড় হয় এই সেতুতে।
চরসিন্দুর সেতুতে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী মাসুম মিয়া বলেন, চরসিন্দুর সেতুর উভর তীর এলাকায় তেমন কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় আমরা প্রতি ঈদেই এখানে ঘুরতে আসি।
কালীগঞ্জের জাঙালিয়ার হাফেজ সফিকুল ইসলাম বলেন, কালীগঞ্জে কোন বিনোদন কেন্দ্র নেই। তাই আমরা আসি।

