
ঢাাকা-মযমনসিংহ মহাসড়কের ফাইল ছবি
গাজীপুর: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকায় উল্টো পথে চলা দুটি গাড়িকে আটক করতে গিয়ে গাড়ির যাত্রীদের আক্রমণে ট্রাফিক পুলিশের তিন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় জনতা একজন হামলাকারীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) টঙ্গী পূর্ব থানা সূত্রে এই সংবাদ পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট শাহজালাল, সার্জেন্ট ইমরান ও এএসআই তরিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার আসামী কাজী শাহীন টঙ্গীর গাজীপুরা দক্ষিন পাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার নামীয় অন্য ৮ আসামী হলেন, কাজী লাবিব, পিয়াস, ইব্রাহিম, নিলয়, মেহেদী, সাইফুল, নিরব ও ওয়াসী। তারা সকলেই ঘটনাস্থল এলাকার বাসিন্দা।
টঙ্গী পূর্ব থানায় পুলিশের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে বলা হয়, মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকায় মহাসড়কে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় হঠাৎ করে দুটি প্রাইভেট গাড়ি উল্টো পথে আসতে থাকলে পুলিশ সদস্যরা বাঁধা দেয়। পুলিশি বাঁধা অতিক্রম করে জোরপূর্বক গাড়ি দুটি চলে যাওয়ার সময় পুলিশকে চাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ের দুটি গাড়ির সকল যাত্রীরা নেমে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা করে। ঘটনার সময় জনতা এক হামলাকারী কাজী শাহীনকে আটক করে ও অন্যরা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। অতঃপর আহত তিন পুলিশ কর্মকর্তা ও আটক ব্যাক্তিকে টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনা স্থানীয় কিছু বিএনপির নেতাকর্মীরা আপোষের চেষ্টা করে খবরটি গণমাধ্যমের আড়াল করে। অবশেষে রাতে এই বিষয়ে আহত তিন পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে সার্জেন্ট শাহজালাল বাদী হয়ে ৯ জনকে সনাক্ত ও কয়েকজনকে অজ্ঞাত নামা উল্লেখ করে টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা দায়ের করেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, পুলিশ হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার একজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
