একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার

Slider জাতীয়


একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

তিনি বলেন, এরপরেও দিবসটি উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কেন্দ্রীক ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

আজ (শুক্রবার) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে শেখ মো. সাজ্জাত আলী এসব কথা বলেন।

শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, মহান শহীদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যাপক লোক সমাগম হবে। এই উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপটাল পুলিশ নিয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়ন থাকবে। শৃঙ্খলা ও শহীদ মিনারের পবিত্রতা বজায় রেখে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বসাধরণকে অনুরোধ।

অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের সফলতার কথা তুলে ধরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অত্যন্ত সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে জনগণ ভোট কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, কোথাও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল না। অমর একুশের অনুষ্ঠানেও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। এরপরেও শহীদ মিনারে নিয়মিত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারীসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আশা করি যে কোনো সমস্যা হবে না এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ মিনার কেন্দ্রীক হয় না। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরা ঢাকা শহর নিয়ে এবং পুরা ঢাকা শহরকে আমরা সিকিউর রাখার জন্য সকল সময় চেষ্টা করি। এখনো সেই চেষ্টা করে যাবো।

সাধারণের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারের রুট অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এর বাইরে অন্য কোন রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর অথবা চানখার পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে।

তিনি বলেন, শহীদ মিনারে কেউ কোন ধরনের ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। সবাই নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে শহীদ মিনারে প্রবেশ করবেন এবং নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে প্রস্থান করবেন। আপনার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যকে সুযোগ দিন এবং শৃঙ্খলা বজা রাখুন।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ডাইভারশন চলবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক ছাত্র কর্মকর্তা কর্মচারীরা সেসব ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *