মো. সাজ্জাত হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক: সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে একেএম ফজলুল হক মিলন বিপুল ভোটের ব্যধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার বর্তুল গ্রামের বাসিন্দা।
বিজয়ী হওয়ায় পর হাট-বাজার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ফজলুল হক মিলনকে বাংলাদেশর নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসাবে দেখার জোর দাবি জানান।
তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর জেলা আঞ্জুমানে রহমানীয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, আগামীর প্রধানমন্ত্রী দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী, শান্তিপ্রিয় ও উন্নত রাষ্টে পরিণত করার জন্য নতুন সরকারের যে মন্ত্রী সভা করা হবে সেখানে একেএম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসাবে রাখার জোর দাবি জানান।
কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ফজলুল হক মিলন শিক্ষা, যোগ্যতায় ও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক বিজ্ঞ একজন মানুষ। উনাকে মন্ত্রী করা হলে দেশ ও জাতীর উন্নতি হবে।
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বিএনপির নীতি নির্ধারকদের কাছে দাবী জানান, ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসাবে দেখা গাজীপুর-৫ আসনের জনগণের একটি দাবি।
উপজেলা বিএনপির সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও পৌর বিএনপির আহবায়ক সদস্য মনির উদ্দিন পাঠান (মিঠু) বলেন, আমাদের জেলায় সব সরকারের আমলেই কেউ না কেউ মন্ত্রী, উপদেষ্টা হয়েছেন। গাজীপুর জেলাকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় রাজধানী বলা হয়। গাজীপুরে বিশাল ভৌগলিক এরিয়ায় ফজলুল হক মিলন এর আগেও সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে ফজলুল হক মিলন ভাইকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন আমাদের প্রাণের দাবি।
গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, বর্তমান গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম ফজলুল হক মিলন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। উনার মতো গাজীপুর জেলার মধ্যে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ সাংসদ সদস্য হিসেবে নেই । তিনি আওয়ামী আমলে গাজীপুর জেলা বিএনপিকে আগলে রেখেছিলেন। উনার মতো একজন মানুষকে মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।

