
মো. সাজ্জাত হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক: এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার নির্বাচন নয়, এবারের নির্বাচন হবে দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন। অতীতে বাংলাদেশ থেকে সেনা শাসন প্রতিরোধ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সৈনিক হিসেবে বাংলাদেশে যারা জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্র, বহু দলীয় গণতন্ত্র এবং পার্লামেন্টরী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল তাদের সম্মুখ সারিতে ছিলেন ফজলুল হক মিলন। পরিবর্তন, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনকে ১২ তারিখ ভোট দিয়ে সংসদে পাঠান। তিনি এ সংসদীয় আসনের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল ও বাড়ীয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এ সব বলেন।
সোমবার (৯ই ফেব্রুয়ারী) বিকেলে কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন আরমান মাষ্টারের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার।
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, সদস্য আলমগীর হোসেন স্বপন ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধানের যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন, ফজলুল হক মিলনের সহধর্মিনী সম্পা হক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য ওমর ফারুক শাফিন, জেলা বিএনপির আহবায়ক সদস্য মো. খায়রুল আহসান মিন্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফী হাবিবুল্লাহ, সোলায়মান আলম, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী (শাওন) প্রমূখ।
