ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা করা যাচ্ছেনা বনের জমি,বনের গাছ

Slider কৃষি, পরিবেশ ও প্রকৃতি


রমজান আলী রুবেল, গাজীপুর: গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের সরকারি বন বিভাগের জমি থেকে প্রকৃতিকভাবে গজানো গজারি বনের গাছ কেটে প্রতিনিয়ত পাচার করছে কিছু অসাধু কাঠ ব্যবসায়ী।

বুধবার (২০ এপ্রিল) সকাল উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের শ্রীপুর রেঞ্জের বলদীঘাট বিটের আওতাধীন শিমুলতলী এলাকা থেকে বনের গজারি গাছ কেটে বিক্রি করার সময় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে গজারি গাছ জব্দ করেছে বন বিভাগ।

এসময় বন বিভাগের সংশ্লিষ্টদের আসার খবরে পালিয়ে যায় অসাধু কাঠ ব্যবসায়ী মো. কলিম উদ্দিন ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা।

অভিযুক্ত কলিমউদ্দিন কাওরাইদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বন বিভাগের প্রাকৃতিক গজারি বনের গাছ কেটে পাচার করে আসছে।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, শিমুলতলী গ্রামের জ্বীনের মোড় নামক এলাকা থেকে বনের জমিতে থাকা প্রায় দুই শতাধিক গজারি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

এই এলাকার আশপাশের অনেক অংশ জুড়ে রয়েছে গজারি বন। ছোট ছোট কফিজ গাছগুলো কেটে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। প্রচারকারীরা বন বিভাগের বাঁধার কারণে কাটা গাছগুলো মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায়।

অভিযুক্ত কাঠ ব্যবসায়ী নয়াপাড়া গ্রামের মৃত হেকো মিয়ার ছেলে, মো. কলিম উদ্দিন বলেন, গাছ কাটার পরপরই বন বিভাগের লোকজন চলে আসে। এর আগেও অনেক সাংবাদিক ঘটনাস্থলে এসেছে। আমারা কাঠ ফেলে চলে এসেছি। বন কর্মকর্তারা কাঠ নিয়ে যাক কোনো সমস্যা নেই।

বলদীঘাট বিটের দায়িত্বে থাকা বিট কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি সকালে আদালতে স্বাক্ষী দিতে চলে আসছি। বিষয়টি জানার পরপরই ফরেস্ট গার্ডদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীপুর রেঞ্জের দায়িত্বে থাকা সদর বিট কর্মকর্তা মীর বজলুল রহমান বলেন, গাছ কেটে পাচারের খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে বন বিভাগের লোকজন পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গাছগুলো জব্দ করে অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে আরো জানা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসের ১২ তারিখে, কলিম উদ্দিন এর অবৈধ কার্যকলাপের সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য স্থানীয় সাংবাদিক, রমজান আলী রুবেলের উপরে হামলা চালায় এই কলিম উদ্দিন শুধু হামলা চালিয়ে ক্ষান্ত হয়নি। তাকে মিথ্যে চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে হাজতবাস করায়।

এই কলিম উদ্দিন এর নামে বন বিভাগের জমি দখল, বনের গাছ কাটা সহ ধর্ষণ মামলার আসামিও তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে আসে বারবার।

বিস্তারিত দ্বিতীয় প্রতিবেদনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *