গত শনিবার ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। যা গত পাঁচদিন ধরে চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বুধবার জানিয়েছে, ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে এখন পর্যন্ত পাঁচশর বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং দুই হাজারের বেশি ড্রোন ছুড়েছে। কিন্তু তাদের হামলার কারণে ইরানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।
সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, তারা ইরানের মিসাইল লঞ্চার ও অন্যান্য অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এতে করে ইরানের পাল্টা হামলার ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।
সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, “আমরা দেখছি আমাদের ও আমাদের মিত্রদের ওপর ইরানের হামলার সক্ষমতা কমছে। অন্যদিকে আমাদের সামরিক শক্তি বাড়ছে। আর আমাদের সার্বিক বিশ্লেষণ হলো আমরা আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে এগিয়ে আছি।”
ইরানে দুই হাজারের বেশি টার্গেটে হামলা
সেন্টকমের কমান্ডার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের দুই হাজারের বেশি টার্গেটে হামলা চালিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা ইরানের ১৭টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছেন। যারমধ্যে সাবমেরিনও আছে।
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ৫০ হাজারের বেশি সেনা, ২০০ যুদ্ধবিমান, দুটি রণতরী ও বোমারু অংশ নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
যা গত কয়েক প্রজন্মের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সেনা কমান্ডার আরও বলেছেন, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময় প্রথমদিকে যে হামলা মার্কিন সেনারা চালিয়েছিল, ইরানে সেই একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি বলেছেন, “আমরা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করে দিয়েছি। তাদের কয়েকশ ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন ও লঞ্চার ধ্বংস করেছি।”
সূত্র: আলজাজিরা

