অভিযোগের তদন্ত হয় কত বছরে !

Slider শিক্ষা


গাজীপুর: যখন যে সরকার আসে সেসরকারের হয়ে যায় সরকারী কর্মচারীরা। এরাই স্বাভাবিক। তবে সব সময় অতিউৎসাহী হওয়া কর্মচারীদের বিষয়ে তদন্ত না হলে কর্মচারীদের অতিরঞ্জিত কর্মকান্ড প্রশাসনিক সমস্যা তৈরী করে। এসব ক্ষেত্রে স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা না নেয়ায় ভুক্তভোগীরাও অভিযোগ দেয়। তবুও তদন্ত শেষ হয় না। এই তদন্ত কবে শুরু বা শেষ হবে তাও অজানা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গাজীপুর সদর উপজেলার ৩৫ নং বাড়িওয়ালী নলজানী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ মহলের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়, সরকারী বরাদ্দ তফরুফ, সরকারী সম্পদ আত্মসাৎ,শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অফিসিয়াল জিনিসপত্র সংগ্রহ, সরকারের দেয়া ক্ষুদ্র মেরামতের টাকা আত্মসাৎ সহ স্টাফ ও অভিভাবকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার অভিযোগ হয। গত বছর জুন মাসে গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের নিকট ভোক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু দীর্ঘ ৭ মাস হলেও এখনো তদন্ত হয়নি। বরং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অভিযোগকারীদের নানাভাবে হয়রানী করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, মমতাজ মহল বিগত সরকারের সময় সাবেক একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর লোক হিসেবে দাপিয়ে বেড়ান। গড বছর ৫ আগস্টের পর তিনি গাজীপুরের একাধিক বিএনপি নেতার লোক হিসেবে আবার অত্যাচার শুরু করেছেন। আসামীর অত্যাচারে বাদীরা এখন ঝুঁকিতে পড়ে গেছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আফরোজা খানম বলেন, আমি আসার আগে তদন্ত রিপোর্ট জেলা শিক্ষা অফিসে দেয়া হয়েছে।

গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদ ভূইয়া বলেন, তদন্ত রিপোর্ট পাইনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *