টঙ্গীতে বিআরটি প্রকল্পে মাদকসেবীদের উৎপাত, থানায় অভিযোগ

Slider গ্রাম বাংলা
Exif_JPEG_420

টঙ্গী(গাজীপুর) প্রতিনিধি: বিমানবন্দর-গাজীপুর সড়কে চলমান বিআরটি প্রকল্পে মাদবসেবীদের উৎপাত দেখা দিয়েছ। প্রকল্পের নির্মানাধীন কাজ নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিআরটি কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তারপরও উৎপাত বেড়েই চলছে।

মঙ্গলবার(২৭জুন) টঙ্গী পশ্চিম থানা থেকে প্রাপ্ত একটি এজাহার সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এজারের বাদী বিআরটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ মহিরুল ইসলাম খান। লিখিতে অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ জুন বিকাল ৩টার দিকে টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় প্রকল্পের মাটি জোর করে নেয়ার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র শস্ত্র ব্যবহার করে একদল মাদকসেবী শ্রমিকদের উপর আক্রমন করে। তারা প্রকল্পে ব্যবহৃত কিছু যন্ত্রপাতি ও মালামাল ছিনিয়ে নেয় এবং নির্মান কাজে বাঁধার সৃষ্টি করে। এই ধরণের একাধিক ঘটনা ঘটার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয় ওই চিঠিতে।

পুলিশ জানায়, বিআরটি প্রকল্পের অভিযোগে জনৈক হিরু মিয়ার নাম লেখা আছে কিন্তু ঠিকানা লেখা নেই। পরবর্তি সময় টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ অনুসন্ধান করে হারুনর রশিদ সরকার(৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনে। হারুনর রশিদের পিতার নাম হাজী ইউসুফ আলী সরকার। বাসা টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন সুরতরঙ্গ রোডে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হরুন সরকারকে হিরু বলে শনাক্ত করে বিআরটি প্রকল্পের শ্রমিক কর্মকর্তারা। এরপর হারুনর রশিদ বিআরটি প্রকল্পে আর ঝামেলা করতে যাবেন না মর্মে পুলিশকে নিশ্চিত করে মুক্তি পান।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহ আলম বলেছেন, ঘটনা সঠিক। হারুন সরকার উরফে হিরুকে বিআরটি প্রকল্পের শ্রমিক কর্মকর্তারা শনাক্ত করেছেন। তারপর হারুন আর ডিস্টার্ব করবে না মর্মে অঙ্গীকার করলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি হারুনর রশিদ আবার বিআরটি প্রকল্পে ঝামেলা করার চেষ্টা করছেন। একাধিকবার রাজধানী উত্তরার লাইট হাউজ নামক মাদক নিরাময় কেন্দ্রে হারুনর রশিদ সরকারের চিকিৎসা হয়েছে বলে ওসি দাবী করেছেন।

এ বিষয়ে হারুনর রশিদ সরকারের সাথে কথা বলতে মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন তুলেন নি।

রিপন আনসারী
টঙ্গী প্রতিনিধি
তাং ২৭/০৬/২৩

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *