বাতাসে লবণ আর কপ্পুরের গন্ধ চাইনা-এস এম শেরআলী শেরবাগ

Slider সাহিত্য ও সাংস্কৃতি


যে দেশে ভবন দুর্ঘটনার সময় ২০ তলা থেকে মানুষকে উদ্ধার করার যন্ত্রপাতি নেই, অথবা সুউচ্চ ভবন নির্মানের সময় বিল্ডিং এর চার পার্শে নিরাপদ সিড়ি নির্মিত হয়না, সেখানে ২০ বা ৩০ তলা, অথবা তার বেশি উচ্চ ভবন তৈরির অনুমোদন যারা দেয়, সেই ভবনে যে কোনো দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারান তাদের হত্যার দায়, অনুমোদন দাতা সংস্থা এড়াতে পারেন না।
অবশ্যই ভবন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর জন্য তারা প্রতক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে দায়ী।

আর এ কারনেই বিল্ডিং কোড পরিবর্তন করে যুগোপযোগী আইন প্রবর্তন করা একান্তই দরকার বলে মনে করছি। যেখানে এক সাথে দুটি এ্যাম্বুলেন্স বা দুটি ফায়ার ব্রিগেড এর অগ্নিনির্বাপক গাড়ি ঢোকার রাস্তা নেই, সেখানে সুউচ্চ ভবন নির্মানের অনুমতি প্রদান বন্ধ করা হোক। অন্যথায় বনানীর মতো দুর্ঘটনায় শুধু প্রাণহানি হবে, আর তদন্ত কমিটি নামক নাটক মঞ্চস্থ হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান আসবেনা।
আমরা আগুনে পোঁড়া লাশ আর দেখতে চাইনা। বাতাসে লবণ আর কপ্পুরের গন্ধ চাইনা।

রাজউক সহ ভবন নির্মান প্রতিষ্ঠান গুলিতে ঘুষ আদান প্রদান ব্যাবস্থাকে শিকড় থেকে তুলে ফেলে, সঠিক স্থানে সঠিক ভবন নির্মানের অনুমোদন কার্যকর করতে হবে। নইলে এমনই লাশের মিছিল প্রতক্ষ করতে হবে দিনের পর দিন…..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *