চ্যারিটেবল মামলায় খালেদার জামিন ১০ জুলাই পর্যন্ত

Slider বাংলার আদালত

000_VG6IL-630x378

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জামিন বাড়িয়েছেন আদালত। খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ ঠিক করেন। এদিকে কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে হাজির না করে কাস্টডিতে পাঠান কারা কর্তৃপক্ষ। কাস্টডিতে লেখা হয়, খালেদা আজ শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। অপরদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তার জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

আজ আদালতে মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন সানাউল্লাহ মিয়া ও জিয়াউর রহমানসহ প্রমুখ। অপর দিকে দুদুকের পক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজন উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বিশেষ জজ-৫ ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে মামলাটি বিচারকাজ চলছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

উল্লেখ্য, দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসানকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। একই মামলায় অন্য আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে। এ মামলায় তার জামিন হলেও অন্য মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকায় তিনি জামিনে মুক্ত হতে পারছেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *