জিম্বাবুয়ের ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যাংক নোট!

Slider সারাবিশ্ব

162500trili_kalerkantho_pic

 

 

 

 

 

 

 

কোনো দেশের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন ব্যাংক নোট দেখলেই সে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। সর্বোচ্চ কত টাকার নোট দেখেছেন আপনি? ১ হাজার কিংবা ২ হাজার।

বাংলাদেশে এখন ১ হাজার টাকার নোট আছে। ২০০০ রুপির নোট তো ভারতেই আছে। এছাড়া আমেরিকান ট্রেজারি ৫ হাজার ডলারের নোটও ছেড়েছিল। কিন্তু এটাই কি সবচেয়ে বেশি দামি নোট?

পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলে রাখ, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না সর্বোচ্চ কত টাকা দামের নোট পৃথিবীতে আছে! সেই নোট হল ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারের! ১০০ ট্রিলিয়ন মানে ১ এর পর ১৪টি শুন্য। দারিদ্র, অনাহার, দুর্নীতি আর শোষণে ধুঁকতে থাকা জিম্বাবুয়েতে ২০০৯ সালে এমন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল। কিন্তু জিম্বাবুয়ইয়ান ডলারের মূল্য সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে কম। তাই ১০০ ট্রিলিয়ন জিম্বাবুইয়ান ডলারে বাংলাদেশি টাকায় মাত্র ২৫ হাজার টাকা হবে!

ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ হিসেবে জিম্বাবুয়ে খুব পরিচিত। বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির পেছনে তাদের অনেক অবদান আছে। একটা সময় যখন কোনো দল বাংলাদেশের সঙ্গে খেলতে চাইত না; তখন জিম্বাবুয়ে একের পর এক সিরিজ খেলত।

সেই দেশটি আজ ক্রিকেটের খর্বশক্তি হওয়ার পেছনে রয়েছে নোংরা রাজনৈতিক কারণ। দেশটিতে এক পিস পাউরুটি কিনতে আপনাকে মিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হবে। এমনই ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতি জিম্বাবুয়েতে!

তবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অংকের ব্যাংক নোটটি বাজারে ছেড়েছিল সম্ভবত যুগোস্লাভিয়া। ২০ বছর আগে মুদ্রাস্ফীতিতে জর্জরিত দেশটি এমন এক নোট বাজারে ছেড়েছিল যা দেখলে আপনার চোখ কপালে উঠতে বাধ্য! নোটটা ছিল ৫০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ দিনারের! ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নতুন মুদ্রানীতি ঘোষিত হওয়ার আগে এই নোট বাজারে ছিল। হিসাব করে দেখুন, ৫ এর পর মাত্র ২০টি শুন্য!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *