পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পণ্যাগারে আগুন

Slider ঢাকা সামাজিক যোগাযোগ সঙ্গী

0b55dddff67dc8736c25bd8a6bd0ca2a-58e962267dc56

 

 

 

 

ঢাকা :  রাজধানীর মহাখালীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় পণ্যাগারে লাগা আগুন নয় ঘণ্টায়ও পুরোপুরি নেভেনি।

আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।

টিনশেডের ওই পণ্যাগারে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগে। আজ রোববার সকাল সাড়ে নয়টায়ও আগুন পুরোপুরি নেভানো যায়নি।

মহাখালীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় গুদামে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ছবি: প্রথম আলোমহাখালীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় গুদামে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুয়েল বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে পণ্যাগারে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমান আকন্দ রাতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে। আশপাশে আবাসিক এলাকা। তাই আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, পণ্যাগারের ভেতরে রাসায়নিক উপকরণ রয়েছে। তা ছাড়া পানির অভাব রয়েছে। মূলত এসব কারণে আগুন পুরোপুরি নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

 পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) প্রণব নিয়োগী সাংবাদিকদের বলেন, পণ্যাগারে পরিবার পরিকল্পনার সামগ্রী মজুত রয়েছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, পণ্যাগারের ভেতরে প্রচুর পরিমাণ জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিশেষ করে কনডম রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, আগুন পুরোপুরি নেভাতে পণ্যাগারের টিনের চালা খুলে ফেলা হচ্ছে।

মহাখালীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় গুদামে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: প্রথম আলোমহাখালীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় গুদামে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পণ্যাগারের নিরাপত্তারক্ষী মুসলিম শিকদার গ্রামবাংলা নিউজ২৪.কম কে বলেন, প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। রাত সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে একটার মধ্যে বৈদ্যুতিক বাতি নিভে আবার জ্বলে ওঠে। কিছুক্ষণ পর পণ্যাগারে আগুন দেখতে পান। চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। মসজিদের মাইক থেকে মাইকিং করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন।

 আগুন লাগার সময় পণ্যাগারের ভেতরে কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।

পণ্যাগারে কীভাবে আগুন লেগেছ, তা জানা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *