রংপুরে আমনের বাম্পার ফলন

Slider গ্রাম বাংলা

paddy-696x348

এস. এম. মনিরুজ্জামান মিলন, রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ দিগন্ত জুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। ধানের চেহারা ভাল। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার বাম্পার ফলন হবে। এমনই আশা করছেন রংপুরের আট উপজেলার চলতি মৌসুমে আমন আবাদকারী চাষীরা।

সরেজিমনে আট উপজেলার মধ্যে ছাওলা ইউনিয়নের আদম সবুজ পাড়া
গ্রামের মোহাম্মদ আলী, কাশিম গ্রামের মোত্তালেব মন্ডল, পরিমল চন্দ্র, অন্নদানগর ইউনিয়নের জগজীবন

গ্রামের তাজুল ইসলাম, জয়সেন গ্রামের সোনারামের সঙ্গে কথা হয়। তারা এবছর আমন ধানের আবাদ করেছেন। ফলন ভাল বলে জানিয়েছেন তারা। দশ মৌজা গ্রামের সফুর উদ্দিনের পুত্র আতাউর রহমান ৩ একর, রামনাথপুর ইউনিয়নের তুলারাম মজিদপুর গ্রামের আব্দুল করিমের পুত্র আব্দুর রশিদ ৬ একর ও রায়পুর ইউপির ধনশালা গ্রামের মজিবর রহমানের পুত্র গোলজার হোসেন ২ একর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমন ধান আবাদ করেছেন। তারা আশা করছেন প্রতি বৎসরের চেয়ে এ বৎসর আমন ধানের ফলন ভাল হবে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৬ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাত ১০৫৭০ হেক্টর, তার মধ্যে এসিআই হিরা-২ ও ধানী গোল্ড উফশী জাতের ধান ১ লাখ ৫১ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে, বিআর ১১, বিআর ৩৩, ব্রিধান- ৫১, ৫২, ৩৩ ৪৯। স্থানীয় সুগন্ধী জাত ১ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। এরমধ্যে উকনেমধু কালিজিরা ধান উল্লেখ্য যোগ্য।

রংপুর আট উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সম্পুরক সেচ, পার্সিং, আলোক ফাঁদ, ডিটিডাবলু, এসটিডাবলু কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর রংপুর এস. এম. আশরাফ আলী এ ব্যাপারে জানান, যথাসময়ে সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণাদি সহজে পাওয়া যাচ্ছে। ক্ষেতের পরিচর্যা, পরিমিতি সার প্রয়োগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সম্পূরক সেচ ও ইঁদুর নিধনের সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *