মহানায়কের মহাক্ষণ

Slider জাতীয় সারাদেশ


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ইতিহাসের মহানায়ক। মুক্তিকামী মানুষের মুক্তির জাদুর বাঁশিওয়ালা। যার বাঁশির সুরে মুক্তির সংগ্রামে জেগে উঠেছিল নিষ্পেষণে কোণঠাসা এক জাতি। নিজের জীবনের রঙ্গিন সব ক্ষণ মানুষের জন্য বিলিয়ে দিয়ে যিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা। টুঙ্গিপাড়ার পাড়া গাঁ থেকে মাটির গন্ধ গায়ে মেখে রাজনীতিতে উঠে আসা এই দরদি জয় করে নিয়েছিলেন একটি জাতির মানসপট। প্রতিবাদে-সংগ্রামে, প্রেরণায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন একটি জাতির অভিভাবক, পিতা, কর্ণধার। পিতার মতোই জাতিকে বুকে আগলে তৈরি করেছিলেন স্বাধীনতার জন্য।

পিতার মতোই বজ্রকঠোর সাহসে ঘোষণা দিয়েছিলেন স্বাধীনতার। সদ্য স্বাধীন দেশ গঠনে পিতার মতোই নিজের নরম বুকে টেনে নিয়েছিলেন পুরো দেশকে। ঐক্যের বাঁধনে রেখে দেশকে সামনে এগিয়ে নেয়ার ব্রত দিয়ে শুরু করেছিলেন দ্বিতীয় সংগ্রাম। ১৫ই আগস্টের কাল রাতে ঘাতকের বুলেটে সেই পিতার জীবন থেকে গেলেও থামেনি তার স্বপ্নের পথ চলা। নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণে তার স্বপ্নের জন্মভূমি। তার হাতে গড়া দল আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায়। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন আর মানব উন্নয়নে এখন রোল মডেল বাংলাদেশ। অফুরান সম্ভাবনার পথে ছুটে চলা বাংলাদেশের গতি এখন দুর্বার। সম্ভাবনার এই দুর্বার ক্ষণে হাজির হয়েছে আরেক মহাক্ষণ। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী। ’৭৫ এর পর জীবন থেমে গেলেও বঙ্গবন্ধু শতবর্ষে আজ বিশ্বজয়ী এক নেতা। শতাব্দীর মহাপুরুষ। সময়ে সময়ে এক একটি জাতির ত্রাতা হয়ে আসা মহান নেতাদের অন্যতম একজন। আজ থেকে শুরু হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষের কর্মসূচি। নানা আয়োজনে বছরব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হবে তাকে। দল-মত নির্বিশেষ গোটা দেশের মানুষ প্রিয় নেতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে নানা প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী বছরের ২৬শে মার্চ পর্যন্ত চলবে এসব কর্মসূচি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান জমকালো আয়োজনে হওয়ার কথা থাকলেও বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতায় আগে থেকেই অনুষ্ঠান সূচি পুনরায় বিন্যাস করা হয়। বাদ দেয়া হয় জনসমাগমের বড় কর্মসূচি। উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে হওয়ার কথা ছিল দেশের সবচেয়ে বড় আয়োজন। এতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অংশ নেয়ার কথা ছিল। জমকালো এ আয়োজনের মাধ্যমে জন্মশতবর্ষে পিতার প্রতি সম্মান জানানোর সব প্রস্তুতি নেয়া হলেও দেশের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী ধরা পড়ার পরই বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্বরিৎ সিদ্ধান্তে বাতিল করা হয় ওই আয়োজন। বিন্যাস করা হয় পুরো কর্মসূচি। বিশ্বজুড়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি থাকলেও শেষ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক আয়োজন বাতিল করা হয়। তবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।
মুজিববর্ষকে ঘিরে আওয়ামী লীগ এবং সরকার নানা ইতিবাচক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে উন্নত, সমৃদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ গড়ার প্রত্যয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী হাজির হয়েছে এমন এক শুভক্ষণে যখন তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার হাতে দেশের নেতৃত্ব। পিতার মতোই কঠিন-কোমল গুণে তিনি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেশকে। জাতির পিতা স্বাধীন বাংলাদেশের যে ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন তা দৃঢ় থেকে সুদৃঢ় করে এগিয়ে চলছেন তিনি। ক্ষুধা আর দারিদ্র্যের করাল থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের সারিতে। বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল দেশের একটি। উচ্চ প্রবৃদ্ধি আর মানব উন্নয়ন সূচকে অপ্রতিরোধ্য এক ভূখণ্ড। কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন অধ্যায়। শিক্ষা-স্বাস্থ্যে অভূতপূর্ব উন্নয়নে বড় এক উদাহরণ বাংলাদেশ। নারীর আকাশ ছোঁয়া অর্জন তাক লাগিয়েছে পৃথিবীর বড় অনেক জাতিকে। গণতন্ত্র-রাজনীতিতে পরিবর্তনের দৃশ্যপট বিশ্বব্যাপী জানান দিচ্ছে অনন্য এক বাংলাদেশ।
আজ রাত আটটায় বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আতশবাজির মধ্যদিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। প্রেসিডেন্টের ভাষণের পরপর আতশবাজির মাধ্যমে জন্ম শতবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সকল বেসরকারি টিভি চ্যানেল, সোস্যাল ও অনলাইন মিডিয়ায় একযোগে সম্প্রচার করা হবে।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জানিয়েছেন, বড় ধরনের জমায়েত পরিহার করে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে অন্যান্য কর্মসূচি পালন করা হবে। তিনি বলেন, জনসমাগম পরিহার করে সারা দেশে এক সঙ্গে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান দেশের সব টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সকল আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়াও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি একটি প্রতিনিধিদল টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবে। এছাড়া সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা হবে। এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার ও ত্রাণ বিতরণ হবে। রাত ৮টায় বঙ্গবন্ধু জন্মক্ষণ উপলক্ষে সারা দেশে একযোগে আতশবাজি প্রদর্শনী হবে। আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে এবং ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই আতশবাজি প্রদর্শনী হবে। এছাড়াও ঢাকার রবীন্দ্র সরোবর, হাতিরঝিল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসটি ও জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় আতশবাজি প্রদর্শনী হবে।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। বঙ্গবন্ধু ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু ১৯৪৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকিটে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলির সদস্য নির্বাচিত হন। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আজীবন সোচ্চার এই অবিসংবাদিত নেতাকে রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬-দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। মানুষের অধিকার আদায়ে লড়াকু এই নেতাকে বাংলার মানুষ ভালোবেসে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে। তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ধাপে ধাপে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হলেও তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বাঙালি জাতির ওপর নানা নির্যাতন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে ডাক আসে স্বাধীনতা সংগ্রামের। তার এ ভাষণে জেগে উঠেছিল পুরো জাতি। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ভাষণের অন্যতম ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার এ অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালির বহু অনাকাঙ্ক্ষিত বিজয় ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়। বিংশ শতাব্দীতে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে যারা বিশ্বনন্দিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু তাদের অন্যতম। বিশ্ব গণমাধ্যমের চোখে বঙ্গবন্ধু ছিলেন ক্ষণজন্মা এক মহা পুরুষ। অনন্য সাধারণ এই নেতাকে ‘স্বাধীনতার প্রতীক’ বা ‘রাজনীতির ছন্দকার’ খেতাবেও আখ্যা দেয়া হয়। বিগত শতাব্দীর কিংবদন্তি কিউবার বিপ্লবী নেতা প্রয়াত ফিদেল ক্যাস্ট্রো বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হিমালয়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। ক্যাস্ট্রো বলেছিলেন, আমি হিমালয়কে দেখেনি, তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি ছিলেন হিমালয় সমান। সুতরাং হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতা আমি লাভ করেছি।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ১৭ই মার্চ সকাল সাড়ে ৬ টায় বঙ্গবন্ধু ভবন, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সকল আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে আজিমপুর এতিমখানা প্রাঙ্গণে অসহায়, দুস্থ ও এতিমদের মাঝে খাবার, বস্ত্র ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবহার্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দুপুর ১টায় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বনানী করাইল বস্তিতে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার ও মিষ্টি বিতরণ করা হবে। এছাড়াও বাদ আসর রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ দুস্থদের মাঝে খাবার ও মিষ্টি বিতরণ করবে। সারাদেশে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে রাত ৮ টায় জাতীয় সংসদ ভনের সামনে প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল। পরে সেখান থেকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *