কক্সবাজারে কলাগাছের নিকট আত্মসমর্পন: বাবলু এখন নীলফামারী-৪ আসনে প্রার্থী

Slider রংপুর


ঢাকা: চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসনটি এবার কোনোভাবেই ছাড়তে রাজী হয়নি আওয়ামী লীগ। দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রয়াত সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে আসন থেকে।
ফলে এ আসন থেকে বাদ পড়ে যায় শরীকদল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। আর এ নিয়ে চট্টগ্রামজুড়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয় ২০০৯ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে উদ্ধার করা এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলুকে নিয়ে।
তবে সব ধরণের জল্পনা-কল্পনা শেষে জাপার দুর্গখ্যাত বৃহত্তর রংপুরের নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসন থেকে মহাজোটের মনোনয়ন নিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাগনি জামাই জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু।

জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবুলর এপিএস ও উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ স¤পাদক শফিকুল আলম চৌধুরী মঙ্গলবার দুপুরে মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এ বিষয়ে জানতে বাবলুর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিখ করেননি।

এপিএস শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাগনি জামাই জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসনটি ছাড় দিয়েছিল। এই আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এর আগে ২০০৯ সালের নির্বাচনেও মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে এ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি।

কিন্তু এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটি জাপাকে ছাড়তে নারাজ আওয়ামী লীগ। এবার এই আসনে নগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে আওয়ামী লীগ জাপার এই প্রভাবশালী নেতাকে কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর-রামু) আসন দিতে চাইলেও তিনি এই আসনে নির্বাচন করতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক দেন দরবারের পর অবশেষে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়। বিষয়টিকে জাপার কর্মীরা অনেকটা চমক হিসেবে দেখছেন বলে জানান তিনি।

শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে বর্তমানে জাপার এমপি রয়েছেন শওকত চৌধুরী। ১৯৯১ সালে প্রথম তৎকালীন জাতীয় পার্টির দু’জন প্রভাবশালী নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী ও শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন যথাক্রমে রংপুর-৫ ও ৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *