৪০ মিনিটে গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট

Slider জাতীয়

images

 

ঢাকা: চলতি বছরের ডিসেম্বরে এয়ারপোর্ট-গাজীপুর রুটে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আওতায় প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিকে ৪০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হবে। ভ্রমণ সময় লাগবে ৪০ মিনিট। বিআরটি বাস থাকবে ১৪০টি। গাজীপুর-এয়ারপোর্ট পর্যন্ত মোট স্টেশন থাকবে ২৫টি।

ঢাকা মহানগরীর সঙ্গে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের জনগণের যাতায়ত নির্বিঘ্ন, দ্রুত ও আরামপ্রদ করতে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ফরাসী দাতা সংস্থা (এএফডি), গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় দুই হাজার ৩৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার অর্থায়ন করবে ৩৮৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

ওবায়দুল কাদের জানান, ২০১২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর।

প্রকল্পের মূল কাজের মধ্যে রয়েছে বিআরটি করিডোর ২০ কিলোমিটার, ফ্লাইওভার ৬টি, এলিভেটেড সড়ক ৪ কিলোমিটার, সংযোগ সড়ক ১৪১টি, মার্কেট উন্নয়ন ১০টি, স্টর্ম ড্রেন ১২ কিলোমিটার, ৮ লেন বিশিষ্ট টঙ্গী সেতু, গাজীপুর বাস ডিপো, জয়দেবপুর বাস টার্মিনাল ও এয়ারপোর্ট বাস টার্মিনাল এবং পিপিপির ভিত্তিতে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণ।

৬টি ফ্লাইওভারের মধ্যে রয়েছে: এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার ৮১৫ মিটার, জসিমউদ্দিন ফ্লাইওভার ৫৮০ মিটার, কুনিয়া ফ্লাইওভার ৫৫০ মিটার, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজি ফ্লাইওভার ৫৫০ মিটার, ভোগড়া ফ্লাইওভার ৫৮০ মিটার এবং জয়দেবপুর ফ্লাইওভার দুই হাজার ১৪ মিটার।

মাঠ জরিপ সম্পন্ন ছাড়াও প্রাথমিক নকশা ও অপারেশনাল প্ল্যান চূড়ান্ত করা হয়েছে, শতভাগ সরকারি মালিনাধীন ঢাকা বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লি. (ঢাকা বিআরটি) গঠন করা হয়েছে।

এ বছরের জুন মাসে নকশা প্রণয়ন চূড়ান্ত করা হবে। গাজীপুর বাস ডিপোর চ‍ূড়ান্ত নকশা প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে। এজন্য দরপত্র আহ্বান হবে ফেব্রুয়ারি মাসে।

ভূমি অধিগ্রহণ পরিকল্পনা ফেব্রুয়ারি মাসে সম্পন্ন হবে। আর অপসারণযোগ্য ইউটিলিটি চিহ্নিত করার কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের জানান, এ বছরের জুলাইয়ে বিআরটি মূল করিডোর, টঙ্গী সেতু, ফ্লাইওভার ও অন্যান্য সব নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হবে।
২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে প্রকল্পটির কাজ শেষে একই বছরের ডিসেম্বর থেকে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি বাস চলাচল শুরু হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

৩১ জানুয়ারি মেট্রোরেলের প্রথম দরপত্র
৩১ জানুয়ারি মেট্রোরেলের রোলিং স্টক (কোচ সংগ্রহ) দরপত্র আহ্বান করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে মোট ৮টি দরপত্র আহ্বান করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *