কিশোরের সচেতনতায় রক্ষা পেলেন পাঁচ শতাধিক ট্রেনযাত্রী

Slider সারাদেশ


মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক কিশোরের সচেতনতায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন পাঁচ শতাধিক ট্রেনযাত্রী। ওই কিশোরের নামে আবুল হোসেন। তার বাড়ি শমশেরনগর ইউনিয়নের ঈদগাহ টিলায়। সে কমলগঞ্জের কামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

গতকাল আবুল হোসেনের সচেতনতায় গতকাল রাত ১১টার দিকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান চট্টগ্রামগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের পাঁচ শতাধিক যাত্রী।

কিশোর আবুল হোসেন আজ বুধবার জানায়, গতকাল রাতে একটি কাজ শেষে ফেরার সময় টর্চ লাইটের আলোতে সে দেখতে পায় ঈদগাহ টিলা এলাকায় রেলপথের একটি পাত ভেঙে ফাঁক হয়ে আছে। রেলপথের একটি পাত দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কথা ভেবে সে গ্রামবাসীকে বিষয়টি জানায়।

শমশেরনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য ফারুক আহমদ বলেন, ছাত্রটি সচেতন হয়ে বিষয়টি গ্রামবাসীকে না জানালে তিনিও জানতেন না। ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেত। তিনি শমশেরনগর স্টেশনমাস্টারকে এবং রেলের গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান। তাঁরা দ্রুত ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন একটি পাত প্রতিস্থাপন করেন।

শমশেরনগর স্টেশনমাস্টার কবির আহমদ আজ সকালে বলেন, আবুল হোসেনের সচেতনতায় সম্ভাব্য রেল দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেল। তিনি খবর শুনে শ্রীমঙ্গলে রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেনকে জানান। মনির হোসেন তাঁর কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন একটি পাত স্থাপন করেন। এতে আধা ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন এ রেলপথ ঝুঁকিমুক্ত আছে। তবে সময়মতো না জানলে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *