বরিশাল বোর্ডে ৫০ স্কুলে শতভাগ পাস, ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা

Slider বরিশাল

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি’তে পাসের হার ৭৭.৪১ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ জন। এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে বরিশাল বোর্ডে। তবে বোর্ডের আওতাধীন দুটি স্কুলের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

অপরদিকে বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৪শ’ ২৭টি স্কুলের মধ্যে ৫০টি স্কুলের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।
সোমবার বেলা ১২টায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি’র পরিসংখ্যান ভিত্তিক ফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি বলেন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ১৭৬টি কেন্দ্রে এবার এসএসসি’তে অংশ নিয়েছিল বিভাগের ৬ জেলার ১ হাজার ৪শ’ ২৭টি স্কুলের ১ লাখ ৬ হাজার ৬শ’ ২১জন শিক্ষার্থী।

এদের মধ্যে পাশ করেছে ৮২ হাজার ৫শ’ ৩৫জন। এবার গত বছরের চেয়ে ৭২৭টি জিপিএ-৫ বেড়েছে। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৪৬২ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ জন শিক্ষার্থী। এবার বরিশাল বোর্ডে গত বছরের চেয়ে পাশের হার ০.৩০ ভাগ বেড়েছে। এবারও ছেলেদের থেকে মেয়েরা ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে। তবে গণিতে কিছুটা ফল বিপর্যয় হওয়ায় সার্বিকভাবে পাশের হারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবার ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ গার্লস হাইস্কুল থেকে ৯ জন এবং পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা আদর্শ হাই স্কুল থেকে ৩৪ জন পরীক্ষায় নিলেও সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ওই দুটি স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম।

অপরদিকে বরিশাল বোর্ডের ৫০টি স্কুলের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। এর মধ্যে বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল জিলা স্কুল এবং বরিশাল ক্যাডেট কলেজ অন্যতম।

বোর্ডের পরিসংখ্যান ভিত্তিক ফল ঘোষণার পরপরই স্কুলে স্কুলে ফলাফলের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ফল পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা। ভালো ফল অর্জনের জন্য মা-বাবা এবং শিক্ষকদের কৃতিত্ব দিয়েছেন তারা।

এদিকে সন্তানদের ভালো ফলে আত্মহারা অভিভাবকরাও। তারা এই কৃতিত্বের ভাগ দিয়েছেন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের।

বরিশাল বোর্ডের আওতাধীন শতভাগ পাশ করা বরিশাল সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা হোসেন বলেছেন, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধাবী এবং পরিশ্রমী। শিক্ষকরাও পরিশ্রমী এবং আন্তরিক। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের প্রতি যত্নশীল। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় ধারাবাহিক সাফল্য আসছে এবং আগামীতে আরও সাফল্য আসবে বলে মনে করছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *